চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সংঘটিত একটি অজ্ঞাত হামলার ঘটনায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পশ্চিম শাখা। এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শাখা সভাপতি মামুন হাসান ও সেক্রেটারি মো. শহিদুল্লাহ
যৌথ বিবৃতিতেনেতৃবৃন্দ বলেন, “গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ইং সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উমরপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় আবু সুফিয়ান সিজু (সিজু ডাকাত), পিতা: মো. রবিউল ইসলাম, গ্রাম: শ্যামপুর (বাজিতপুর)—অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হামলায় আহত হন। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের পরিচয় উদঘাটনের আগেই একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উক্ত হামলার দায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। নেতৃবৃন্দ স্পষ্টভাবে বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রশিবিরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।’”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “দুঃখজনকভাবে ‘বাংলা ভিশন’সহ কিছু গণমাধ্যম কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই, অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংগঠনের দায়িত্বশীলদের বক্তব্য গ্রহণ না করে এবং সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা উপেক্ষা করে একতরফা সংবাদ প্রকাশ করেছে। এটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থি। কোনো দলের প্রতি অন্ধভাবে সমর্থন দেখানো বা কোনো সংগঠনকে পরিকল্পিতভাবে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা গণমাধ্যমের কাজ হতে পারে না। এ ধরনের সাংবাদিকতানীতিবিবর্জিত আচরণ প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।”
নেতৃবৃন্দ বলেন, “ভুক্তভোগী নিজে ভিডিও বার্তায় যাদের নাম উল্লেখ করেছেন, তারা কেউই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তারপরও ছাত্রশিবিরের ওপর দায় চাপানোর অপচেষ্টা সুস্পষ্টভাবে একটি ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেয়। তারা জোর দিয়ে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রশিবিরের প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ কিংবা দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।”
নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট ঘটনার একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত দাবি করেন।
একই সঙ্গে একতরফা সংবাদ অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সংশোধনী প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

Reporter Name 


















