শিরোনাম
রাণীনগরে আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার-বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাটে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ পালিত-বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাটে মহানন্দা নদীতে গোসল করতে গিয়ে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু-বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাটে ৩টি মোটরসাইকেলসহ অন্তঃজেলা চোর চক্রের ৪জন গ্রেফতার-বরেন্দ্র নিউজ ঢাকাস্থ ভোলাহাট উপজেলা সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত -বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাটে বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতরে ইফতার-বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাটে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার-বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাটে সাংবাদিকদের সাথে ইফতার করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খালেক-বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাটে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের সাংবাদিকদের সাথে ইফতার-বরেন্দ্র নিউজ কুড়িগ্রামে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন-বরেন্দ্র নিউজ ভোলাহাট উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হতে চান হুসেন আলী-বরেন্দ্র নিউজ
১০৫ বছর বয়সে চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষায় পাস করে ইতিহাস গড়লেন এই আম্মা-বরেন্দ্র নিউজ

১০৫ বছর বয়সে চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষায় পাস করে ইতিহাস গড়লেন এই আম্মা-বরেন্দ্র নিউজ

এক্সক্লুসিভ অনলাইন ডেস্ক : স্বপ্ন পূরণের জেদ থাকলে বয়স যে বাধা হয় না সেটা প্রমাণ করলেন ভারতের কেরালার ভাগীরথি আম্মা। ১০৫ বছর বয়সে সাফল্যের সঙ্গে চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষায় পাস করলেন তিনি। তার হাতে সেই পরীক্ষার প্রসংশাপত্র তুলে দেন কোল্লামের কেরালা লিটারেসি মিশনের ডিরেক্টর পিএস শ্রীকালা। ৬ সন্তান আর ১৬ জন নাতি-নাতনি নিয়ে ভরা সংসার বৃদ্ধার। 

তবুও কোথায় যেন একটা অপ্রাপ্তি তাকে তাড়া করে বেড়াত। মনে হত শৈশবের পড়শোনাটা এখন পূরণ করতে পারলে ভাল হত। পড়াশোনার প্রতি এই অদম্য আগ্রহের জোরে ১০৫ বছর বসয়ে চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কেরালার পারাকুলামের বাসিন্দা ভাগীরথি আম্মার এই স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসে কেরালা লিটারেসি মিশন।

চারটি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ভাগীরথি আম্মা। ইংরেজি, অঙ্ক, মালায়লম এবং আমরা ও আমাদের চারপাশ। মোট ২৭৫ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে ২০৫ পেয়েছেন ভাগীরথি আম্মা। অঙ্ক হয়েছিল ৭৫ নম্বরে। তাতে পুরো ৭৫ নম্বরই পেয়েছেন ১০৫ বছরের বৃদ্ধা। মালায়লমে ৭৫ নম্বরে ৫০, ইংরেজিতে ৫০ নম্বরে ৩০ এবং আমরা ও আমাদের চারপাশ নামক বিষয়ে ৭৫ নম্বরের মধ্যে ৫০ পেয়েছেন তিনি। 

লিখতে অসুবিধা হওয়ার কারণে তিনটি প্রশ্নপত্রের উত্তর তিনি তিন দিনে লিখে শেষ করেছিলেন। ভাগীরথি আম্মা যখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তেন তখনই পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার বয়স তখন ৯ বছর। মা মারা যাওয়ার পর ছোট ভাইবোনেদের দেখাশোনা করার জন্য পড়া ছাড়তে হয়েছিল তাকে। কিন্তু পড়াশোনা করার আগ্রহ কখনও কমেনি। কেরালার সাক্ষরতা অভিযানে উদ্যোগে সেই ইচ্ছা পূরণ হল ভাগীরথি আম্মার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




<figure class=”wp-block-image size-large”><img src=”http://borendronews.com/wp-content/uploads/2020/07/83801531_943884642673476_894154174608965632_n-1-1024×512.jpg” alt=”” class=”wp-image-17497″/></figure>

© All rights reserved © 2019 borendronews.com
Design BY LATEST IT