বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ভোলাহাট, তারিখঃ ১৫.০৪.২০২৬, বুধবার
ভোলাহাটের বোরো আর আম চাষীরা এখন আর প্রাকৃতিক জলাধারের ওপর নির্ভরশীল নন । চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাটের বিস্তীর্ণ জলাধার বিল ভাতিয়ায় শুকনো ভরা মৌসুমে পানি নেই । এ অবস্থায় কৃষকদের এ অঞ্চলের একমাত্র বড় আবাদ বোরো
আবাদের ওপর নির্ভর করেই
বাঁচতে হয় । উল্লেখ্য যে সেচ কাজের জন্য বরেন্দ্র বিভাগের গভীর নলকুপগুলো আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেচ অটুট রাখার জন্য । পক্ষান্তরে ভোলাহাটের ইঞ্চি পরিমান ভুমিও বোরো আবাদের সময় পতিত থাকে না । অনেকাংশে এ জমিগুলোর
একটি বিশাল অংশ কৃষকেরা নিজস্ব
স্যালো মেশিনে আবাদ করে থাকেন। এজন্য তাদের ডিজেল জ্বালানীর ওপর নির্ভর করতে হয় । ফলে এলাকার একমাত্র মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের ওপর এলাকার কৃষক কুল নির্ভর হয়ে পড়েছেন । বোরো ধানের এখন শীষ ফোটার সময় পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ না পেলে কৃষক সর্বশান্ত হয়ে
যাবে । এ অবস্থা চলবে আগামী মে মাসের শেষ পর্যন্ত কৃষক ভাইদের সাথে কথা বলে জানা গিয়েছে ।
অন্যদিকে আমের রাজধানী বলে খ্যাত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলা বর্তমান সময়ে কীটপতঙ্গ উপদ্রবের কারনে কমপক্ষে তিন থেকে চারবার স্যালো মেশিনের সাহায্যে আম চাষী ভায়েরা কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে বাধ্য হন । নয়তো এলাকার অর্থকরি ফসল অকালেই প্রচন্ড দাবদাহে ঝরে
যায় ।
এমতাবস্থায় এলাকার কৃষকেরা সপ্তাহে অন্তত দুই বার ডিজেলের সরবরাহ চান বলে জ্বালানি সরবরাহ প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন আবেদন জানিয়েছেন ।
আরো জানা গিয়েছে ,
সরকারি এ্যাপসের
মাধ্যমে পেট্রোল সরবরাহের জন্য প্রান্তিক ব্যবসায়ী উপজেলার বাইরে গিয়ে আর পেট্রোল পাবেন না যে ব্যবসা গুলো অনেকাংশে মোটর বাইকের দ্বারা সমাধা হয় ।
এজন্য পেট্রোল সরবরাহের বিষয়েও তারা ফিলিং ষ্টেশন কর্তৃপক্ষের শুভ দৃষ্টি কামনা করেছেন ।

Reporter Name 

















